ভারতের বিভিন্ন মন্ত্রী বিরোধী নেতা, সাংবাদিকসহ গুরুত্বপূর্ণ ৩ শতাধিক ব্যক্তির ফোন হ্যাক করা হয়েছে। ঈশ্রায়েলি স্পাইওয়্যার পেগাসাস ব্যবহার করে এসব ফোন হ্যাক করা হয়েছে।
ঘটনার শিকার ব্যক্তিদের তালিকায় রয়েছেন দ্য হিন্দুস্তান টাইমস, ইন্ডিয়া টুডে, নেটওয়ার্কে 80, দ্য হিন্দু,ও ইন্ডিয়ানেক্সপ্রেস সহ প্রথম সারির বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমের শীর্ষ স্থানীয় সাংবাদিকরা, রয়েছেন রাজনৈতিক ব্যবসায়ী, সরকারি কর্মকর্তা, বিজ্ঞানী ও সমাজকর্মী রাও, সংবাদ মাধ্যমে দা ওয়ার এর তথ্য বলছে বেশিরভাগ হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটেছে ২০১৮ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে।
হ্যাকিংয়ের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের তালিকায় রয়েছেন ৪০ জনেরও বেশি সাংবাদিক। তিনজন বিরোধী নেতা, দুইজন মোদি সরকারের মন্ত্রী, রয়েছেন ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর বর্তমান ও সাবেক প্রধান ও বহু ব্যবসায়ী।
এ ঘটনার জন্য সরকারের দিকে আঙ্গুল তোলা হচ্ছে। যদিও মোদি সরকারের দাবি ভারতের সরকারি এজেন্সিগুলোর পক্ষ থেকে কোনো অনুমোদনহীন নজরদারি চালানো হয়নি। সরকারের বিরুদ্ধে হ্যাকিংয়ের যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে সেটি বরং ভিত্তিহীন।
রোববার বিজেপি রাজ্য সভার সদস্য সুব্র মনিয়ম সামী বলেছেন পেগাসাস আড়িপাতা হচ্ছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের ফোনে। পাশাপাশি আড়িপাতা হচ্ছে মোদির মন্ত্রিসভার সদস্যদের ফোনে, সেই সঙ্গে আরএসএস নেতাদের ফোনেও।
তিনি বলেছেন এই বিষয়ে একটি রিপোর্ট শিগগিরই প্রকাশ পাবে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে। ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে খবরের শিরোনামে পেগাসাস। সেখানে বলা হয় সারা পৃথিবীর প্রায় ১৪০০ জনের ফোনে আড়িপাতা হয়। সেই তালিকায় ছিলেন কূটনীতিক, রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক ও সরকারি কর্মকর্তারা।
ভারতের ব্যবহারকারীরও ফাঁদে পড়েন, তালিকায় ছিলেন গবেষক, দলিত আন্দোলনকারী ও সাংবাদিকরা। নতুন করে এ ঘটনায় এখন সামনে আসা শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।
